এফিলিয়েট মার্কেটিং - Affiliate Marketing

Affiliate Marketing Bangla: কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন ।

আজকের পোস্টে আমি  A-Z আলোচনা করব, কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং( Affiliate Marketing Bangla) শুরু করবেন। এটি হচ্ছে একটি আল্টিমেট গাইড । যদি এই পোষ্টটি শেষ পর্যন্ত ফলো করেন তাহলে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলো জানতে পারবেন।

 আজকের পোস্টে আমি দেখাবো

  •  এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?
  •  কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ করে?
  •  কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে ইনকাম করবেন?

চলুন শুরু করা যাক

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি ? What is Affiliate Marketing?

 অনেকেই কাছে এই প্রশ্নটি প্রায়ই শুনে থাকি এবং এই প্রশ্নটির উত্তর খুবই সোজা । অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing Bangla) হচ্ছে অন্যের প্রডাক্ট প্রোমট ( Promote other products) করে কমিশন নেওয়া ।

আপনি অনলাইন থেকে একটি প্রোডাক্ট পছন্দ করে সেই প্রোডাক্টটি এফিলিয়েট লিংক দিবেন। তারপর সেই প্রোডাক্টটি আপনি অনলাইনে প্রমোট  করবেন।  প্রমোট করার পর যদি কেউ প্রোডাক্টি কিনে তাহলে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন ।  মূলত এটি হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং।

চারটি সিম্পল উপায়ে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারেন 

  • প্রথমে আপনাকে একটি প্রোডাক্ট সিলেক্ট করতে হবে।
  • তারপর আপনাকে তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ সাইন আপ করতে হবে।
  • তারপর তারা আপনাকে একটি স্পেশাল লিংক দিবে তাকে বলা হয় এফিলিয়েট লিংক
  • সেই লিংকটি আপনি প্রমোট করবেন অনলাইনে এবং সেই লিঙ্ক থেকে কেউ যদি কিনে তাহলে আপনি কি নির্দিষ্ট পরিমাণ কম থাকে।

খুবই সোজা,  তাইনা ?

এফিলিয়েট মার্কেটিং আসলে কিভাবে কাজ করে ? How does Affiliate Marketing Bangla Work

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে তা আমাদের জানার তেমনটা প্রয়োজন নেই। এমনকি অনেক প্রো মার্কেটারা এই বিষয়ে জানে না ।  তবুও বোঝানোর স্বার্থে আজকে এই বিষয়ে একটু কথা বলব।

যখন আপনি এফিলিয়েট লিংকটি  এফিলিয়েট প্রোগ্রাম থেকে নেন সেই লিঙ্কে একটি ট্রাকিং আইডি থাকে।  যখন আপনার লিংকে কেউ ক্লিক করবে তখন এফিলিয়েট প্রোগাম সফটওয়ার জানতে পারবে যে  আইডি টি আপনার লিংক থেকে এসেছে। 

আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং এ কিরকম ইনকাম করতে পারবেন ? (How Much Money You can earn From Affiliate Marketing)

আসলে এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে আপনি কত ইনকাম করবেন তা ডিপেন্ড করে আপনার উপর । আপনি যদি অনেক পরিশ্রম করেন, স্মার্ট ওয়েতে এফিলিয়েট মার্কেটিং করেন তাহলে আপনি ভালো ইনকাম করতে পারবেন। অনেক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার আছে যারা মাসে 10 হাজার ডলার থেকে 50 হাজার ডলার ইনকাম করতেছে ।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ইঙ্কাম আরো একটি বিষয়ের উপর ডিপেন্ড করে সেটি হচ্ছে আপনি কোন ধরনের প্রোডাক্ট প্রমোট করবেন।  আপনি যদি লো কমিশনের প্রডাক্ট প্রমোট করেন যেমন amazon.com  এর প্রোডাক্ট তাহলে আপনি অনেক কম কমিশন পাবেন।  আর আপনি যদি High Paying  এফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রমোট করেন তাহলে আপনি   একটি প্রোডাক্ট থেকেই 1000 ডলার ইনকাম করতে পারবেন।  কিন্তু 1000 ডলারের প্রডাক্ট প্রোমট করা অনেক কষ্টসাধ্য। সারামাসে যদি একটি সেল পান তাহলে আপনি 1000 ডলার পেয়ে যাবেন

 কিভাবে আপনি একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারবেন ? (How You to be a Affiliate Marketer)

সো আপনি যদি একজন প্রফেশনাল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর বেসিক বিষয়গুলো জানতে হবে।  আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বেসিক বিষয়গুলো না জেনে শুধুমাত্র কিছু স্ট্রাটেজিসের উপর ভিত্তি করে এফিলিয়েট মার্কেটিং করেন তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন না।

 আপনি সহজেই ClickBank  থেকে একটি প্রোডাক্ট প্রমোট করতে পারবেন কিন্তু সফল হতে গেলে আপনাকে সঠিক প্রোমট করতে হবে।   আপনাকে প্রথমে জানতে হবে কিভাব প্রোডাক্ট প্রমোট করতে হয় তারপর এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হবে।

 আমি অনেককেই দেখেছি যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে স্পামিং শুরু করে। তারা ফেসবুক গ্রুপে গিয়ে শুধু লিঙ্ক শেয়ার করে, পিন্টারেস্ট এগিয়ে লিংক শেয়ার করে। এগুলোকে বলা হয় স্পামিং। লিংক শেয়ার করে এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সাকসেসফুল হতে পারবেন না।

 আপনাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সঠিক প্রসেসটা জানতে হবে।  আজকের এই পোস্টে আমি এক্সাকলি এটাই জানাবো। তাহলে চলুন মূল বিষয় চলে যাওয়া যাক

 কিভাবে নিস সিলেক্ট করবেন ? (How to Choose niche For Affiliate Marketing)

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার প্রথম ধাপ ই হচ্ছে  নিস সিলেক্ট করা।  আপনি যদি নিস সিলেক্ট করা বাদ দিয়ে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করেন তাহলে আমি বলব আপনি একটি মারাত্মক ভুল করতে যাচ্ছেন। 

 কেন নিস সিলেক্ট করার আগে প্রডাক্ট সিলেক্ট করা একটি মারাত্মক ভুল তা আমরা কিছুক্ষণ পরে জানব।  কিন্তু তার আগে আমরা জানতে চাই কিভাবে আমরা একটা নিস সিলেক্ট করব।  নিস বলতে বুঝায় টপিক।  এক্সাম্পল হিসেবে ক্রিকেট একটা টপিকস । তাহলে এটিকে আমরা নিস বলতে পারি। 

 যখন আপনি একটি নিস সিলেক্ট করবেন তখন তিনটি বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখতে হবে।

 প্রথম বিষয়টি হচ্ছে আপনি যে নিসটি সিলেক করতেছেন সেটির বিষয়ে আপনি প্যাশনেট কিনা,  যদি আপনি প্যাশনেট না হন তাহলে আপনি খুব সজজেই এটির উপর থেকে ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলবেন। আপনাকে এমন একটি নিস সিলেক্ট করতে হবে  যেটা আসলে আপনি পছন্দ করেন

 দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে আপনি যেই নি্সটি সিলেক্ট করতেছেন সেটাতে আসলেই আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন কিনা?  অনেক টপিক আছে যেখানে টাকা ইনকাম হয় না।  সেই টপিকগুলো যদি আপনি সিলেক্ট করে ফেলেন তাহলে আপনি  সাকসেস হতে পারবেন না।

 তৃতীয় বিষয়টি হচ্ছে আপনার টপিকের উপর মানুষ ইন্টারেস্টেড কিনা।  এই টপিকে মানুষ কি ভিডিও দেখতে পছন্দ করে অথবা ব্লগ পোস্ট করতে পছন্দ করে।  যদি না করে তাহলে নিসটি গ্রহণযোগ্য নয় ।

পৃথিবীতে তিনটি নিস রয়েছে যেটা সব সময় ইভার গ্রিন থাকে।  সেই নিস তিনটি হচ্ছে   হেলথ, ওয়েলড (Wealth) এবং রিলেশনশিপ।  তো আপনি  এই নিসগুলো নিয়ে কাজ করলে সাকসেসফুল হতে পারবেন।

 কিভাবে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করবেন ? (How to Select Product For Affiliate Marketing)

তো আপনার নিস সিলেক্ট করা শেষ এখন আপনাকে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করতে হবে।  ধরুন আপনি যে নিসটি সিলেক্ট করেছেন সেটি হচ্ছে ক্রিকেট।  এখন ক্রিকেট খেলার অনেক  প্রডাক্ট রয়েছে।   সেই ক্রিকেট এর প্রোডাক্ট গুলো আমাদের প্রমোট করতে হবে।

প্রমোট করার জন্য আপনাকে এফিলিয়েট লিংক নিতে হবে।  তো আপনি এফিলিয়েট লিংক কোথায় পাবেন।  লিংক পাওয়ার জন্য আপনি যে প্রোডাক্টটি প্রমোট করতে চাচ্ছেন সেটি গুগলে লিখে সার্চ করুন সাথে যুক্ত করুন এফিলিয়েট তাহলে আপনি তাদের এফিলিয়েট সাইটটি পেয়ে যাবেন।  সেখান থেকে আপনাকে সাইন আপ করতে হবে।  সাইন আপ করার পর আপনি একটি লিঙ্ক পাবেন।  সেই লিংকটি আপনাকে প্রমোট করতে হবে। 

 আবার এফিলিয়েট লিংক পাওয়ার জন্য কিছু মার্কেটপ্লেস ওর হয়েছে।  যেমন clickbank.com, WarriorPlus.com Jvzoo.com।

 এই মার্কেটপ্লেসগুলোতে আপনি অনেক প্রোডাক্ট পাবেন।  তো সেখান থেকে সার্চ করে আপনার প্রোডাক্ট বের করে নিয়ে এসে সেখান থেকে আপনি এফিলিয়েট লিংক নিতে পারবেন।

 এফিলিয়েট লিংক নেয়ার পর আপনার কাজ হচ্ছে প্রডাক্টিভ প্রমোট করা।  চলুন চলে যায় নেক্সট নেক্সট টেপে

 কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোমট করবেন ? ( How to Promote Affiliate Marketing Product)

 প্রোডাক্ট প্রমোট করার হাজার হাজার মেথড রয়েছে কিন্তু আজকে আপনাদের আমি কিছু পপুলার মেথড গুলোই দেখাবো। চলুন শুরু করা যাক

১।  ব্লগের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রমোট করা ( How to promote affiliat Marketing Product With blog)

 আপনি চাইলে ব্লগের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার প্রমোট করতে পারবেন।  সেজন্য আপনাকে একটি ব্লগ ক্রিয়েট করতে হবে।  ব্লগ ক্রিয়েট করার জন্য সবচেয়ে ভালো সিএমএস হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস।  ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ ক্রিয়েট করা অনেক ইজি।  প্রথমে আপনাকে একটি ডোমেইন এবং একটি হোস্টিং প্যাকেজ কিনতে হবে।  তারপর ব্লগ সেটআপ করতে হবে।  তারপর আপনাকে কন্টেণ্ট  লিখতে হবে আপনার প্রোডাক্ট এর উপর ভিত্তি করে।

 আপনি ডোমেইন এবং হোস্টিং যে কোন ডোমেইন হোস্টিং এর কাছ থেকে নিতে পারেন।  আপনার যদি ক্রেডিট কার্ড থাকে তাহলে আপনি ইন্টার্নেশনাল প্রোভাইডারের কাছ থেকে নিতে পারেন। আপনার যদি ক্রেডিট কার্ড না থাকে তাহলে আপনি দেশি প্রোভাইডারের কাছ থেকে নিতে পারেন। বাংলাদেশের সেরা হোস্টিং হচ্ছে Exonhost.com।  বাংলাদেশের অনেক মানুষ এই হোস্টিং ব্যবহার করে।  তো আপনি নিশ্চিন্ত এই হোস্টিংটি ব্যবহার করতে পারেন।

তাহলে আপনি আপনার ব্লগে কি ধরনের কনটেন্ট লিখবেন। ধরুন আপনার ব্লগটি  ক্রিকেট নিয়ে।  তাহলে  তাহলে আপনাকে ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট লিখতে হবে।  ধরুন আপনি একটি ক্রিকেট ব্যাট প্রমোট করতে চাচ্ছেন তাহলে বেস্ট ক্রিকেট ব্যাট লিখে রিভিউ আর্টিকেল লিখে লিখতে পারেন।  যখন এটি গুগলে Rank হবে তখন এখানে অনেক ট্রাফিক আসবে ব্যাট কিনার জন্য।  কেউ যদি আপনার লিঙ্ক ক্লিক করে ব্যাট কিনে তাহলে আপনি কমিশন পাবেন।  শুধু রিভিউ পোস্ট  লিখবেন না সাথে আপনি ইনফরমেটিভ পোস্ট লিখবে। যেমন কিভাবে কভার ড্রাইভ করা যায় কিভাবে বল করা যায়।

২।  ফানেলের মাধ্যমে প্রমোট করা ( How To create landing page and sales Funnels)

 ফানেল হচ্ছে এমন একটি বিষয় যেখানে আপনি আপনার ভিউয়ারদের  একটি ল্যান্ডিং পেইজে পাঠাবেন সেখানে আপনার  ভিসিটরা ইমেইল সাইন আপ করবে এবং সে একটি প্রোডাক্ট দেখতে পারবে সেখানে। 

 সে তখনই সেই প্রোডাক্টটি যদি না কিনে তবুও আপনি তাকে  ইমেইলের মাধ্যমে সেই প্রডাক্ট সম্প্ররকে জানাতে পারবেন।  কারণ আপনি ইমেইল আগে কালেক্ট করে রেখেছেন ।

 ফানেল ক্রিয়েট করতে আপনাকে একটি  ল্যান্ডিং পেজ ( landing Page) ক্রিয়েট করতে হবে,  ইমেইল কালেক্ট করার জন্য একটি ইমেইল সফটওয়্যার লাগবে।  তারপর আপনাকে একটি অ্যাফিলিয়েট ফানেল ক্রিয়েট করতে হবে।  আপনি যদি এইসব করতে চান ১০০০ ডলারের উপরে লেগে যেতে পারে । কিন্তু আমি একটি ভিডিও ক্রিয়েট করেছি যেখানে আপনাদের দেখিয়েছি কিভাবে  কোন টাকা খরচ না করে একটি ইমেইল মার্কেটিং ফানেল তৈরি করতে পারবেন এবং আপনার প্রোডাক্ট প্রমোট করতে পারবেন ভিডিওটি দেখুন এবং আশা করি সবকিছু বুঝতে পারবেন।

৩।   কিভাবে ফেসবুকে প্রোডাক্ট করবেন (How to promote product with Facebook)

 ফেসবুকে প্রোডাক্ট প্রমোট করার সময় আমরা অনেকেই ভুল করে থাকি।  ফেসবুকে আমরা বিভিন্ন গ্রুপে বিভিন্ন পেইজে শেয়ার করি।  এগুলো করা স্পামিং।  এগুলো করে কোন ফল পাবেন না।

 আপনাকে যা করতে হবে তা হচ্ছে আপনি নিসের ওপর প্রোডাক্ট সিলেক্ট করেছেন সেই নিসের উপর আপনাকে একটি ফেসবুক গ্রুপ ক্রিয়েট করতে হবে।  তারপর আপনাকে অন্য অন্য ফেসবুক গ্রুপ গুলোতে জয়েন করতে হবে।  জয়েন করার পর আপনাকে সেই গ্রুপগুলোতে  ভেলু ক্রিয়েট করতে হবে,  এবং সেখান থেকে আপনার ফেসবুক পার্সোনাল প্রোফাইলে গ্রুপ মেম্বার গ্রুপে এড করতে হবে।  তারপর সেই মেম্বার গুলো কে আপনার গ্রুপে জয়েন করাবেন।  আপনার গ্রুপে তাদেরকে  জয়েন করানোর পর আপনাকে  ভ্যালু প্রোভাইড করতে হবে।  যখন আপনাকে  ট্রাস্ট  করা শুরু করবে তখন আপনি আপনার প্রডাক্টগুলো তাদের সামনে তুলে ধরবেন।  এভাবে আপনি ফেসবুকের মাধ্যমে প্রডাক্ট প্রোমট করতে পারবেন।

আজকে এ পর্যন্তই। আশা করি আপনাদের বুঝাতে পেরেছি কিভাবে এর একটি অ্যাফিলিয়েট পডাক্ট প্রমোট করতে হয়।  এফিলিয়েট মার্কেটিং যদি আপনি শিখতে চান তাহলে আমার এই ইউটিউব চ্যানেলে আমি এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে ভিডিও তৈরি করি।  এখানে অনেক ভালো ভালো ভিডিও রয়েছে আপনি চাইলে এখান থেকে দেখতে পারেন।

আমার ইউটিউব চ্যানেল লিংক – Ninja Affiliate Marketer

সবাইকে ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *